ইসলামে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ একটি গুরুত্বপূর্ণ গুণ হিসেবে বিবেচিত। এ বিষয়ে নবী মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে না। (আবু দাউদ: ৪৮১১)
নবীজি (সা.) মানুষের উপকারের প্রতিদান দেওয়ার পাশাপাশি দোয়ার মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানানোর শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি বলেন, কেউ যদি উপকার করে, তাহলে তাকে প্রতিদান দাও; আর প্রতিদান দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে তার জন্য দোয়া করতে থাকো। (আবু দাউদ: ১৬৭২)
এ প্রসঙ্গে হজরত ওসামা ইবনে জায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, কেউ যদি উপকারের পর “জাযাকাল্লাহু খাইরান” বলে, তাহলে সে পূর্ণাঙ্গভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করল। (তিরমিজি: ২০৩৫)
🔹 দোয়ার আরবি, উচ্চারণ ও অর্থ:
جَزَاكَ اللّٰهُ خَيْرًا
উচ্চারণ: জাযাকাল্লাহু খাইরান
অর্থ: আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন
ইসলামি শিষ্টাচার অনুযায়ী, কারও কাছ থেকে ছোট বা বড় যেকোনো উপকার পেলে তাকে “জাযাকাল্লাহ” বা পূর্ণরূপে “জাযাকাল্লাহু খাইরান” বলা উত্তম।
🔹 জবাব দেওয়ার নিয়ম:
- একজনকে: وَإِيَّاكَ (ওয়া ইয়া-কা)
- একাধিককে: وَإِيَّاكُمْ (ওয়া ইয়া-কুম)
অর্থ: এবং আপনাকেও/আপনাদেরও
এছাড়াও প্রচলিত একটি সুন্দর জবাব হলো:
وَأَنْتُمْ فَجَزَاكُمُ اللَّهُ خَيْرًا
অর্থ: আল্লাহ আপনাকেও উত্তম প্রতিদান দিন
লগইন
‘জাজাকাল্লাহু খাইরান’ অর্থ ও বলার নিয়ম | ছবি সংগ্রহীত
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!