লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের ০৮নং দক্ষিন চরবংশী ইউনিয়নকে ভূমি দস্যুদের হাত থেকে উদ্ধার করা হবে, মাদক মুক্ত, চুরি, ডাকাতি রোধে, আদর্শ, মডেল ও বৈষম্যমুক্ত ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। প্রতিটি মানুষের জানমাল নিরাপত্তা, মৌলিক অধিকার ও আইনের সুশাসন নিশ্চিত করতে চাই, ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করবো, ইনশাআল্লাহ।
শুক্রবার বিকেলে ০৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের হাজিমারা সুইজ গেইট এলাকায় নিজ অফিসে ইউনিয়ন বিএনপির প্রথম যুগ্মসাধারণ সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন আরিফ, সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী গণমাধ্যম কর্মীদের সাথে এমন কথা বলেছেন। তিনি বলেন, দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নকে ডিজিটাল, আদর্শ ও মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে ভূমি দস্যুদের হাত থেকে গরিব অসহায় মানুষের সরকারিভাবে দেওয়া বন্দোবস্ত নথিভুক্ত জমি উদ্ধার করতে হবে। দ্বিতীয়তঃ প্রতিটি ওয়ার্ডে, গ্রামে পাড়া মহল্লায় মাদক মুক্ত ও চুরি, ডাকাতি, ইফটিজিং বন্ধ করতে হবে।
সকল অপকর্মের শিঁকড় হল মাদক। বৈষম্যমুক্ত, গরিব অসহায় কৃষক ও প্রবাসী পরিবারদের তাদের অধিকার তাদের ন্যায্য পাওনা সময়মতো সুষম বন্টন করার লক্ষে কাজ করতে হবে। প্রায় ২৫ হাজার ভোটার অধ্যুষিত জনবহুল এলাকায় রয়েছে তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করতে চাই। এ ছাড়াও জনগণের ট্যাক্স ও ভ্যাট দিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ চলে। তিনি জনগণের উদ্দেশ্য বলেন, ইউনিয়ন বাসির ভোটের মাধ্যমে যোগ্য প্রতিনিধিত্ব তৈরি করবেন। যাহাতে করে ইউনিয়নের গরীবদুখি সহ নানান পেশাজীবীদের আমানত যাহাতে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। এই ইউনিয়ন পরিষদের অনেকেই চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, কিন্তু ভূমি দস্যুদের হাত থেকে অসহায় মানুষের বন্দোবস্ত নথিগুলো উদ্ধার করতে পারেননি. আমি চাই মানুষের খেদমত করতে আমি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত সদস্য হিসেবে প্রায় দশ বছর সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ইউনিয়ন পরিষদে আপনাদের পাশে থেকে কাজ করত চাই, সেই জন্য আপনাদের দোয়া, সহযোগীতা, সমর্থন একান্ত প্রয়োজন।
মোঃ জাকির হোসেন আরিফ আরো বলেন, স্কুল জীবন থেকে শুরু করে অদ্য পর্যন্ত বাংলাদেশের সাবেক সফল রাষ্ট্রনায়ক, স্বাধীনতার ঘোষক মেজর মরহুম জিয়াউর রহমানের হাতেগড়া রাজনৈতিক দল বিএনপি'র আদর্শকে বুকে ধারণ করে আপোসহীন নেত্রী খালেদা জিয়ার আপোসহীন কর্মী হয়ে বিএনপির রাজনীতি করে আসতেছি। আমাদের পুরো পরিবার বিএনপি'র রাজনীতির সাথে দীর্ঘদিন থেকে জড়িত রয়েছে।
দলের দুঃসময় রাজনীতির মাঠে আন্দোলন সংগ্রামে ছিলাম আছি থাকবো। গত সতেরো বছরে পাঁচ বারে প্রায় আট মাসেরও বেশি সময় কারা ভোগ করেছি। হত্যা মামলা সহ আমার নামে পাঁচটি মিথ্যা মামলা হয়েছে । কিন্তু কখনো দলীয় নেতাকর্মীদের ছেরে পালিয়ে যায়নি। এলাকার মানুষের সাথেই কেটে গেছে আমার সময় এবং বাকিটা সময় ও অত্র ইউনিয়নের গরীব, অসহায় মানুষের সুখে দুঃখে পাশে থাকতে চাই। আমি আইনজীবী সহকারী হিসেবে লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে উপজেলা বিএনপি'র বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের নামে যত মিথ্যা মামলা হয়েছে তাদের অনেককেই আইনিভাবে বিনা পয়সায় সহযোগিতা করেছি।
তিনি আরো বলেন, দলের দু:সময়ে ০৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য হিসেবে, ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারন সম্পাদক, লক্ষ্মীপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ- দপ্তর সম্পাদক, রায়পুর উপজেলা কৃষকদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও বর্তমানে ইউনিয়ন বিএনপি'র প্রথম যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছি। তিনি আরও বলেছেন আমি ও আমার পরিবারের লোকজন রাজনীতি বেনিফিটের জন্য করেনি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে এবং চার বারের সংসদ সদস্য জনাব আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপির নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে রাজনীতি করি।
তাহারই ধারাবাহিকতায় দলের সমর্থনে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ইউনিয়নবাসীর কল্যাণে কাজ করতে চাই। এ ইউনিয়নকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, শ্রমিকদল, কৃষকদল ও সেচ্ছাসেবক দলের ০৯টি ওয়ার্ডের একাধিক নেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, মোঃ জাকির হোসেন আরিফ , লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের আইনজীবী সহকারী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, তরুণ উদীয়মান রাজপথের লড়াকু সৈনিক, অত্যন্ত সৎ ব্যক্তি ও মানবিক তাঁর নেতৃত্বে ইউনিয়নে এগিয়ে যাবে সে প্রত্যাশা করেন দলীয় অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক কয়েকজন ইউপি সদস্যসহ বাহার আলী মোল্লারহাট বাজারের একাধিক ব্যবসায়ী গণমাধ্যমকে বলেন, মোঃ জাকির হোসেন আরিফ বিএনপি দুঃসময় দলের হাল ধরেছেন অনেক বার জেল খেটেছেন তিনি একমাত্র ব্যক্তি হিসেবে যোগ্যতার মাপকাঠিতে চেয়ারম্যান হিসেবে তাকেই সমর্থন করবো আমরা।
তিঁনি প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সাধ্যমত দলমত উধ্বে: থেকে তিন'শ সাধারন পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রিসহ নগদ অর্থ ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন। গেল বন্যার সময় তিনি ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এক লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা নগদ অর্থ বিতরণ করেন, বন্যার্তদের মাঝে খাবার সামগ্রিসহ কম্বল বিতরণ করেন এবং মসজিদ, মাদ্রাসা এতিমখানা সহ গরিব অসহায় মেয়েদেরকে বিয়ের ব্যবস্থা করেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন সাথে জড়িত রয়েছেন।
লগইন
ছবি- সংগৃহীত
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!