বানিয়াচংয়ে সেচের অভাবে ১ শত ৭৫ একর জমি অনাবাদি। অন্যান্য জমির ফসল উৎপাদন অনিশ্চিত। কৃষকের মাথায় হাত ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি। হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের তেলঘরি মৌজার তেলঘরি সেচ প্রকল্পে সেচের পানি না পাওয়ায় ১ শত ৭৫ একর কৃষি জমি অনাবাদি রয়েছে। তেলঘরি সেচ প্রকল্পের অধীনে মোট কৃষি জমির পরিমান ৮৭৩ একর। এর মধ্যে অনাবাদি ১ শত ৭৫ একর। তেলঘরি, কবিরপুর,সাউদের ছেড়ি গ্রামের কৃষকের একমাত্র সম্বল ধান চাষ করা। অগ্রাহায়ন মাসে বীজ বুনে চারা করে পৌষ মাসের মধ্যে চারা রোপন করার নিয়ম থাকলে ও সেচের পানি মাঘ মাসের ১২ তারিখ দেওয়ায় ধানের চারা লাল হয়ে যাওয়ায় ফলন অর্ধেকের নীচে হবে বলে জানান তেলঘরির কৃষক সুরঞ্জিত বৈষ্ণব। ৬৯৮ একর জমিতে রোপন ও রোপন কাজ চলছে। কৃষক নরেন্দ্র দাস বলেন, সঠিক সময়ে সেচ না করায় অনাবাদি জমির ১২ হাজার মন ধান ফলানো থেকে কৃষকগণ বঞ্চিত হয়েছেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হিলাল নগর গ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা কৌশিক রঞ্জন সরকার ও বানিয়াচংয়ের উত্তর তোপখানার যুবলীগ নেতা সাবেক এমপি আব্দুল মজিদ খানের বদৌলতে ১২ বছর যাবৎ সেচ করে আসছেন।কেদার প্রতি তারা দেড় মন ধান নেন। কুশিয়ারা নদীতে পানি থাকা সত্বেও তারা মাত্র ৫ টি সেচ মেশিন দিয়ে সেচ শুরু করেন। পানি সরবরাহের পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় পানি চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা সেচ কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদা বেগম সাথী বলেন," সেচ প্রকল্পটি সম্পর্কে আমি অবগত নই, খোঁজখবর নিয়ে দেখবো। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এনামুল হক বলেন, বিষয়টি সেচ কমিটিকে অবগত করে ব্যবস্হা নেওয়া হবে।
লগইন
বানিয়াচংয়ে সেচ সংকটে ১৭৫ একর জমি অনাবাদি, ধান উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় কৃষক
মন্তব্য করার জন্য লগইন করুন!