BDCN24 হল সংবাদ, মতামত এবং বিনোদনের জন্য একটি বাংলাদেশ ভিত্তিক মাল্টিমিডিয়া প্ল্যাটফর্ম। এটি পাঠক এবং শ্রোতাদের রাখার জন্য একটি ২৪/৭/৩৬৫ এর প্ল্যাটফর্ম
সত্তরোর্ধ সেতারা বেগমকে জীবনের শেষ সময়ে এসে ঠাঁই নিতে হয়েছে ঝুঁপড়ি ঘরে। টিন ও প্লাস্টিকের তৈরি ঘর নামের একটি খুপরিতে চরম মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। পৈত্রিক সম্পত্তির উপর নির্মিত একটি পাকের ঘরের একাংশে এতোদিন বসবাস করলেও এবার তাঁকে থাকতে হচ্ছে বাগানের মধ্যখানে। একপলক দেখলে যে কেউই এটিকে গরু-ছাগলের ঘর ভেবে ভুল ভাবতে পারেন। কিন্তু গত এক সপ্তাহের অধিক সময় ধরে এটিই বিধবা সেতারা বেগমের জীবনের একমাত্র সম্বল।সেতারা বেগম লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের রাখালিয়া গ্রামের মুন্সিরহাট সংলগ্ন রজ্জব আলী ভূঁইয়া বাড়ির বাসিন্দা। তিনি ওই বাড়ির ধনু মুন্সীর কন্যা। স্বামী খোরশেদ আলমের সঙ্গে প্রায় ৪০ বছর আগেই বনিবনা না হাওয়ায় সংসার জীবনের ইতি ঘটে। এরপর থেকেই ২ সন্তানকে নিয়ে পিতার ভিটায় আশ্রয় নেন। পিতার পুরোনো ঘর ভেঙ্গে সেখানে নতুন ভবন করেন ভাই আব্দুল মতিন (পঞ্চাশ)। সেই ঘরেই দীর্ঘদিন বসবাস করেন সেতারা। গত জানুয়ারির প্রথম দিকে তাঁকে ঘর থেকে বের করে দিয়ে পাকঘরে থাকতে দেওয়া হয়। এর আগে তাঁর মা আলিমের নেছা কর্তৃক ছেলে মোহাম্মদ মাসুদকে হেবাকৃত ৪ শতক ও নিজের ওয়ারিশি আড়াই শতক জমি নিয়ে ভাই মতিনের সাথে বিরোধ দেখা দেয়। মায়ের থাকার পাকঘরটি মেরামত করতে গেলে মোহাম্মদ মাসুদকে বাঁধা দেন আব্দুল মতিন। এ নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হলে সেতারা বেগমকে পাকঘর থেকেও উচ্ছেদ করে দেওয়া যায়। পরবর্তীতে স্থানীয় ইউপি সদস্য জনি পাটওয়ারীর মধ্যস্থতায় আব্দুল মতিনের খরচে একটি সেতারা বেগমের জন্য একটি বসতঘর নির্মাণ করে বসবাস করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।